গত জানুয়ারি মাসে গ্রিক প্রধানমন্ত্রী কারিয়াকোস মিটসোতাকিস তুরস্ককে মোকাবেলায় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেছেন। এরপর ফ্রান্স ভূমধ্য সাগরে ফ্রিগেট পাঠায় গ্রিসের প্রতি সংহতি প্রকাশের অংশ হিসেবে। গ্রিক প্রতিরক্ষা গ্রিক প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভূমধ্য সাগরের গতিবিধি পর্যবেক্ষন করছে গ্রিস এবং প্রয়োজনে তুরস্কের বিরুদ্ধে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করা হবে। তবে ফ্রান্স আর গ্রিসের এ হুমকি আঙ্কারার কাছে গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয় নয়
জাপান টাইমসের তথ্য অনুসারে বর্তমানে জাপানে যুক্তরাষ্ট্রের ৫৪ হাজার সৈন্য রয়েছে। এসব সৈন্যদের ৭৪ ভাগ খরচ বহন করে জাপান। অপর দিকে মিলিটারি বেজের তথ্য অনুসারে জাপানে যুক্তরাষ্ট্রের ২৩টি সামরিক ঘাটি রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ইজেস এশোর মিসাইল ক্রয় চুক্তি বাতিলের জাপানের সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে বিস্ময়কর। যুক্তরাষ্ট্রকে না বলার জাপানের শক্তি আগামি দিনে প্রশান্তমাহসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত মিত্রতা নিয়ে নতুন ইঙ্গিত দিচ্ছে
চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছেছে। কিন্তু তারাই একমাত্র খেলোয়াড় নয় আর অস্ট্রেলিয়া এ খেলায় কোনো সাধারন দর্শক নয়। জাপান, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ভিয়েতনাম এবং প্যাসেফিক তাদের প্রত্যেকেরই এ খেলায় অংশ নেয়ার আগ্রহ আছে। আর অবশ্যই খেলায় অংশ নেয়ার আগ্রহ আছে অস্ট্রেলিয়ার
বিশ্বের শীর্ষ ১০টি এটাক হেলিকপ্টারের একটির অধিকারী তুরস্ক। এর নাম টি-১২৯। এর নির্মাতা তার্কিস এরোস্পেস ইন্ডাস্ট্রি টিএআই । তার্কিস টি-১২৯ এটাক হেলিকপ্টার ইতালীর এ-১২৯ এটাক হেলিকপ্টারের উন্নত ভার্সন। ইতালীর লিওনার্দোর হেলিকপ্টার নির্মাতা এগেস্টা ওয়েস্ট ল্যান্ডের সহায়তায় তুরস্কের টিএআই নির্মাণ করছে এ হেলিকপ্টার
দীর্ঘদিন ধরে ভারত চীনের সাথে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হলেও এবং নিজেকে গ্লোবাল পাওয়ার হিসেবে তুলে ধরলেও বাস্তবে ভারতের সার্বিক চিত্র চীনের সাথে তুলনীয় নয় । অর্থনীতি, সামরিক, প্রযুক্তি, সমরাস্ত্র শিল্প সব দিক দিয়ে চীন অনেক এগিয়ে ভারতের বিপরীতে। এ অবস্থায় করোনার আঘাত ভারতকে অনেক দূরে ঠেলে দিয়েছে। অপর দিকে ভারত নিজেকে নব্য সুপার পাওয়ার হিসেবে প্রচার করলেও এমনকি দক্ষিন এশিয়ায়ও দেশটি নিজেকে ভাল কোনো পক্ষ হিসেবে প্রমান করতে পারেনি