কাতারে বিশ্বকাপ নিয়ে মর্মজ্বালায় ইউরোপ

বিগত কয়েক বছর ধরে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ইসলাম, মুসলিম ও অভিবাসন বিরোধী মনোভাব চরম আকার ধারণ করেছে। তারা এই মহাদেশের বাইরের লোকজনকে ভিন্ন চোখে দেখে থাকে। উগ্র জাতীয়তাবাদী ও কট্টর ডানপন্থি রাজনৈতিক দলগুলোর উত্থানের পর থেকে ইউরোপে ইসলাম, মুসলিম ও অভিবাসন বিরোধী মনোভাব হয়ে উঠেছে আরো তীব্র। ইউরোপের সমাজের কিছু অংশের মানুষের কাছে এই মনোভাব গ্রহনযোগ্যতাও পাচ্ছে। এর কারণ হচ্ছে তারা নিজেদেরকে অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ মনে করে। এজন্যই তারা অন্য সমাজের ও সম্প্রদায়ের জনগণকে তৃতীয় শ্রেনীর মানুষ হিসেবে দেখে। ‘সুপিরিয়রিটি কমপ্লেক্সে’ ভোগাই এর মূল কারণ। এ ধরনের মনোভাব থেকে কাতারে বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে ঘৃনামুলক প্রচারনা চালাচ্ছে ইউরোপের বিভিন্ন সংবাদপত্র। বিশ্লেষকরা এটাকে ইউরোপের নৈতিক দেউলিয়াত্ব ও মূল্যবোধের অবক্ষয়ের বহিপ্রকাশ বলে মনে করছেন। ইউরোপের এই শ্রেষ্টত্ববাদের ধারনার বিপজ্জনক দিক নিয়ে থাকছে মোতালেব জামালীর প্রতিবেদন।


মধ্যপ্রাচ্যে বন্ধুত্বের সুবাতাস : শক্তিশালী হচ্ছে মুসলিম বিশ্ব

  • ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৭:৪০

কয়েক দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যর দেশগুলো নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সংঘাতে জড়িয়ে পড়লেও এখন এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সর্ম্পকে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বহু মেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থার যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে তাতে মধ্যপ্রাচ্যর দেশগুলো পালন করতে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা। এই প্রথম পরস্পর বিরোধী দেশগুলো কাছাকাছি আসছে। এমনকি দশকের পর দশক ধরে ইরানের সাথে আরব দেশগুলোর যে বিরোধ তা কমিয়ে আনার প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ইরানের সাথে বিশ্বশক্তির পারমানবিক চুক্তির বিরুদ্ধে ইসরাইল অবস্থান নিলেও আরব দেশগুলো অনেকটা নিরব। অপরদিকে ঘনিষ্ট হচ্ছে তুরস্ক, সৌদি আরব, মিশর ও কাতারের সাথে সর্ম্পক। সিরিয়ার সাথে আরব আমিরাত, কাতার ও তুরস্ক সর্ম্পক স্থাপনের ইঙ্গিত দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে দেশগুলোর পরিবর্তিত সর্ম্পকের নানা দিক থাকছে মুনতাসীর মুনীরের প্রতিবেদনে।


আরেকটি হিরোশিমা হতে পারে চীন

  • ২৮ আগস্ট ২০২২ ০৭:০১

ইউক্রেন  নয় বিশ্বে পরবর্তী হিরোশিমা হতে পারে চীনের কোন শহর। ইউক্রেন যুদ্ধের দুই বছর আগে এ আশঙ্কা করেছেন যুদ্ধ বিষয়ক খ্যাতিমান বৃটিশ সাংবাদিক জন পিলজার। যুক্তরাষ্ট্র অনেক দিন ধরে চীনের সাথে যুদ্ধের  প্রস্ততি নিচ্ছে এবং এ যুদ্ধ পারমানবিক হামলায় রুপ নিতে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকে বিশ্বে পারমানবিক যুদ্ধের আশঙ্কা নিয়ে আলোচনা চলছে জোরে শোরে। অনেকে বলেছেন,  রাশিয়া ইউক্রেনে পারমানবিক হামলা চালাতে পারে এবং ইউক্রেন যুদ্ধ রুপ নিতে পারে তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধে। তবে ইউক্রেনের আগেই তাইওয়ান ঘিরে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ঘটে যেতে পারে বড় কোন অঘটন।  চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের পারমানবিক সংঘাতের নানা দিক নিয়ে থাকছে আজকের প্রতিবেদন।


সাংহাই ইস্তেহার লঙ্ঘন করেছে যুক্তরাষ্ট্র

  • ১৫ আগস্ট ২০২২ ২২:২৫

দ্রুত কালো মেঘ জমছে এশিয়ার আকাশে। তাইওয়ান ঘিরে বিপজ্জনক অবস্থার মুখোমুখি চীন। ইউক্রেনের মত যুক্তরাষ্ট্র একই পরিস্থিতি সৃষ্টি করে চলছে তাইওয়ানে। রাশিয়ার মত তাইওয়ান অভিযানে চীনকে পুরো মাত্রায় উসকানি দিয়ে চলছে বাইডেন প্রশাসন।  পেলোসির তাইপে সফর ঘিরে ওয়াশিংটন-বেইজিং সম্পর্কের যে অবণতি ঘটবে তা বাইডেন প্রশাসনের অজানা নয়। কিন্তু তারপরও কেন ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালে ওয়াশিংটন এ ধরনের বেপরোয়া পদক্ষেপ নিল তা নিয়ে চলছে নানা ধরনের বিশ্লেষন।  তাইওয়ান নিয়ে উত্তেজনায় যুক্তরাষ্ট্রের ভুমিকার নানা দিক বিশ্লেষন করেছেন মেহেদী হাসান।


দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় চীন-যুক্তরাষ্ট্রের কিসের প্রতিযোগিতা?

  • ১৫ আগস্ট ২০২২ ২২:২০

 চীন আর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রতিযোগিতা যত বাড়ছে, দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দিকে মনোযোগও তত বাড়ছে। উদীয়মান বাজার, বিস্তীর্ণ ও বৈচিত্রপূর্ণ এই অঞ্চলটি ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক যুদ্ধক্ষেত্র হয়ে উঠছে। এশিয়া- প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সাথে উন্নয়নে সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্র আইপিইএফ ধারণা তুলে ধরেছে। মূলত আসিয়ানের সাথে সহযোগিতার জন্য চীন যে আরসিইপি'র ভিত্তিতে কাজ করছে, তার মোকাবেলার জন্যেই যুক্তরাষ্ট্র আইপিইএফ নিয়ে এসেছে। তবে, বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র এখানে খুব বেশি সুবিধা করতে পারবে না, কারণ তাদের প্রস্তাাবে বাণিজ্য বাধা দূর করার ব্যাপারে কোন প্রতিশ্রুতি নেই। অন্যেরা বলছেন, চীন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রতিযোগিতা থাকলেও এই অঞ্চলে বেশ কিছু ইস্যুতে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করার সুযোগ রয়েছে তাদের। বিস্তারিত থাকছে হায়দার সাইফের প্রতিবেদনে।


তুরস্ক -রাশিয়া সখ্যতায় উৎকণ্ঠায় পশ্চিমা বিশ্ব

  • ১৩ আগস্ট ২০২২ ২১:৪৫

তুর্কি নেতা রিজেপ তাই্যয়েপ এরদোয়ানকে কোনোভাবেই বশে আনতে পারছে না পাশ্চাত্য। তুরস্কের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি পশ্চিমা দুনিয়াকে মাঝে মাঝেই বেকায়দায় ফেলে দেয়। ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে এক মাসে এরদোয়ানের দুইবার বৈঠক নিয়ে পাশ্চাত্যের নেতারা নাখোশ। বিশেষ করে রাশিয়ার সোচিতে দুই নেতার চার ঘণ্টার বৈঠক পাশ্চাত্যকে উৎকণ্ঠায় ফেলেছে। বৃটেনের প্রভাবশালী দৈনিক ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের খবরের ভিত্তিতে এ সম্পর্কে বিস্তারিত থাকছে ইলিয়াস হোসেনের প্রতিবেদনে।


চীনকেও যুদ্ধে নামাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

  • ০৪ আগস্ট ২০২২ ২৩:৫৮

চীনের হুমকি উপেক্ষা করে মার্কিন পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি তাইওয়ান সফর করলেন। চীন-মার্কিন সম্পর্ক এবং বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে অনেক বড় একটি পদক্ষেপ। তাইওয়ানকে নিজের ভূখন্ড হিসেবে ধরে রাখতে মরিয়া বেইজিং এই সফর ঠেকানোর চেষ্টা করেছিলো। দিয়েছিলো সামরিক পদক্ষেপের হুমকি। বড় ঝুঁকি নিয়েই মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার দ্বীপটিতে পা রেখেছেন। পেলোসির সফর ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে তাহলে কি চীনকে তাইওয়ানের সাথে যুদ্ধে নামাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। যেমনটা রাশিয়াকে নামানো হয়েছে ইউক্রেনে যুদ্ধে। ওয়াশিংটনের এমন ইচ্ছে থাকলে চীন কী করতে পারে - সেসব বিষয় নিয়ে থাকছে আহমেদ বায়েজীদের প্রতিবেদনে। 


নিষেধাজ্ঞার পরও শক্তিশালী হচ্ছে রাশিয়ান রুবল

  • ৩০ জুলাই ২০২২ ২২:৩৫

রাশিয়ান মুদ্রা রুবলের উপর রাশিয়ানদের আস্থা বাড়ছে। ধারণা করা হয়েছিল, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার অর্থনীতিকে ধসিয়ে দেবে। কিন্তু ডলার ও ইউরোর বিপরীতে রুবল দিন দিন আরও শক্তিশালী হচ্ছে। ৩১টি প্রধান আন্তর্জাতিক মুদ্রার মধ্যে রুবলকে ২০২২ সালের সবচেয়ে শক্তিশালী মুদ্রা ঘোষণা দিয়েছে ব্লুমবার্গ। তারা বলেছে, নিষেধাজ্ঞার পর রাশিয়া সরকার যে সব পদক্ষেপ নিয়েছে, সেগুলো রুবলকে একটা শক্ত জায়গায় দাঁড় করিয়ে দিয়ছে। এখন, পুঁজি জমানোর জন্য বিদেশী মুদ্রার চেয়ে রুবলের উপর আস্থা অনেক বেড়ে গেছে রাশিয়ানদের। এদিকে, রুবলের বিপরীতে ডলার আর ইউরোর মান পড়ে গেছে। ইউরোর এই পতন আরও কিছুকাল জারি থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কিছু বিশ্লেষক সতর্ক করে বলেছেন, রাশিয়ার সাথে পশ্চিমাদের উত্তেজনা যত দীর্ঘ হবে, ডলার আর ইউরো তত বিষাক্ত হয়ে উঠবে। বিস্তারিত থাকছে হায়দার সাইফের প্রতিবেদনে।


এমবিএস ও তেলের কাছে হেরে গেলেন বাইডেন

  • ১৯ জুলাই ২০২২ ১১:০২

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মধ্যপ্রাচ্য সফর নিয়ে নানা সমালোচনা ও বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে। সৌদি আরবের মানবাধিকার পরিস্থিতির কড়া সমালোচনা করে ক্ষমতায় এসেছিলেন বাইডেন। কিন্তু সেই বাইডেনকেও এখন সৌদি আরবের দ্বারস্থ হতে হলো। ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় নজিরবিহীন মূল্যস্ফীতির মোকাবেলা করতে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রসহ তাদের মিত্র দেশগুলোকে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, শুধু তেলের জন্য মধ্যপ্রাচ্যে আসেননি বাইডেন। বরং সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সাথে বৈঠক করাই ছিল তার প্রধান উদ্দেশ্য। কারণ, দেরিতে হলেও বাইডেন বুঝতে পেরেছেন যে, সৌদি আরব এখন আর এককভাবে আমেরিকার উপর নির্ভরশীল নয়। বরং যুক্তরাষ্ট্রের অনুপস্থিতিতে চীন ও রাশিয়ার সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে উঠেছে রিয়াদের। বিস্তারিত থাকছে হায়দার সাইফের প্রতিবেদনে।


রাশিয়ার পর চীনকে কি মোকাবিলা করতে পারবে ন্যটো?

  • ০৫ জুলাই ২০২২ ২৩:৩৩

ন্যাটোর সাম্প্রতিক সম্মেলনে যে কৌশলপত্র গ্রহণ করা হয়েছে, তাতে প্রাথমিক প্রতিপক্ষ হিসেবে স্বাভাবিকভাবেই রাশিয়াকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ইউক্রেন কেন্দ্রিক চলমান সঙ্ঘাতের ঘিরে এটাই ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু কৌশলপত্রের মধ্যে সুস্পষ্টভাবে চীনকে নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে, যেখানে বেইজিংকে ন্যাটোর প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করানো হয়েছে। মূলত চীনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা চলছে, সেখানে একক শক্তিতে টিকতে না পেরে যুক্তরাষ্ট্র এখন ন্যাটোকে চীনের বিরুদ্ধে দাঁড় করাতে চাচ্ছে। কিন্তু যে সব যুক্তিতে চীনকে ন্যাটোর প্রতিপক্ষ হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হয়েছে, সেগুলো সঠিক নয়। চীনের বিরুদ্ধে পশ্চিমা শিল্পকে ধ্বংসের অভিযোগ তোলা হয়েছে, যেটা অবাস্তব। মূলত পশ্চিমারাই বিশ্বে মুক্তবাজার অর্থনীতি নিয়ে এসেছে এবং চীন সেখানে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে গেছে। বৈধ নিয়মে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে যুক্তরাষ্ট্র এখন চীনকে তাদের ভবিষ্যতের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। বিস্তারিত থাকছে হায়দার সাইফের প্রতিবেদনে।


প্রশিক্ষন ছাড়া পাঠানো হচ্ছে যুদ্ধে : বেঘোরে প্রান যাচ্ছে

  • ২৭ জুন ২০২২ ১৯:৩৪

ফেব্রুয়ারি মাসে রাশিয়া যখন ইউক্রেন অভিযান শুরু করে,  তখন জনগণের বিপুল সমর্থন পেয়েছিল প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেন্সকির সরকার। বহু ইউক্রেনিয় নাগরিক তখন জন্মভূমিকে রক্ষার জন্য সোচ্চার হয়েছিল। এখন যুদ্ধের চার মাস পরেও রাশিয়ার অগ্রগতি থামানো যাচ্ছে না। হতাহতের সংখ্যাও ক্রমেই বাড়ছে। এই অবস্থায় ইউক্রেনের জনগণের মধ্যে ক্ষোভ আর হতাশা বাড়তে শুরু করেছে। স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে যারা বাহিনীতে যোগ দিয়েছেন, তাদেরকে খুবই সামান্য প্রশিক্ষণ দিয়ে ফ্রন্টলাইনে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন, ফ্রন্টলাইনে সেনাদের পর্যাপ্ত সুরক্ষা সরঞ্জাম নেই। অনেকে চাঁদা তুলে ফ্রন্টলাইনের স্বজনদের জন্য সুরক্ষা সরঞ্জাম কিনে পাঠিয়েছেন। এদিকে, সেনা পরিবারের সদস্যদেরকে অর্থ সংগ্রহের জন্য সরকার বাধ্য করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। বিস্তারিত থাকছে হায়দার সাইফের প্রতিবেদনে।