ক্যাট স্টিভেন্সের ইসলাম গ্রহণের বিস্ময়কর গল্প

  • ১৫ জানুয়ারি ২০২১ ০৮:৪৮

নির্যাতনের বাহন হিসেবে চিত্রায়িত করে ইসলামকে যুদ্ধবিগ্রহ ও অন্যায়-অবিচারের জন্য দায়ী করা এখন ওয়েস্টার্ন ফ্যাশন। ইসলামের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ যে অমূলক, তা বিবেকবানরা সহজেই উপলব্ধি করতে পারেন। তারপরও পৃথিবীতে মাঝেমধ্যে এমন কিছু ঘটে, যা আমাদের চোখে সত্য ও মিথ্যার ব্যবধানকে পরিচ্ছন্ন করে তোলে। পপ-তারকা ক্যাট স্টিভেন্সের জীবন বদলানোর ঘটনাও এ-রকম। তিনি এখন ইউসুফ ইসলাম


কোকিলকণ্ঠী জেনিফার কেন ইসলাম গ্রহণ করলেন

  • ০৮ জানুয়ারি ২০২১ ০৬:১৪

যে বিষয়টি আমাকে প্রথম আকর্ষণ করে, তা হলো আজানের ধ্বনি। যেখানেই যেতাম পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আজান শুনতে পেতাম। আমি জানতে পারলাম, আজানের মাধ্যমে সবাইকে নামাজের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। বিষয়টি আমাকে আন্দোলিত করে। সত্যি বলতে কী, আজানের সুরই আমাকে প্রথম ইসলাম গ্রহণে অনুপ্রাণিত করে। আজান যেভাবে আমাকে আন্দোলিত করত, উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত তা কখনও করতে পারেনি


ম্যাক্রোর ইসলাম বিদ্বেষ ও ফ্রান্সের মুসলিম কমিউনিটি

  • ০৭ নভেম্বর ২০২০ ১৪:৩৫

মূলত ইসলামকে টার্গেট করেই নতুন ওই আইনের খসড়া প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে জানা যায়। যদিও বলা হচ্ছে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীসহ সবাইকেই এর আওতায় আনা হবে। ফরাসি মুসলিমরা আশঙ্কা করছেন, নতুন এই আইনের ফলে শুধু শ্বেতাঙ্গ উগ্রবাদ নয়, ইসলাম ধর্ম ও মুসলিম বিদ্বেষও এখন ফ্রান্সজুড়ে বেড়ে যাবে


আয়া সোফিয়ায় বাঁধভাঙা আবেগ

  • ০৫ আগস্ট ২০২০ ১৮:২৪

এলো সেই কাঙ্খিত দিন। ছিয়াশি বছর পর মসজিদ খুলে দেওয়ার দিন। শুক্রবার সকাল থেকেই ইস্তানবুলের বাতাস মুখর হয়ে উঠলো। ইউরোপ আর এশিয়ার বিভক্তিরেখা বসফরাস প্রণালীতে বইতে শুরু করলো নতুন প্রবাহ। গোল্ডেন হর্ন স্মরণ করলো সেই দিনের কথা। যেদিন সুলতান ফাতিহ মুহাম্মদ কনস্টানটিনোপল বিজয় করতে জলের জাহাজ ডাঙায় তুলেছিলেন। দশমাইল শুকনো পথ টেনে নিয়েছিলেন সেগুলো। কাঠের গুড়িতে চর্বি মিশিয়ে তার ওপর তুলেদিয়েছিলেন জাহাজের পেট। উসমানীয় সেনারা সেই জাহাজগুলো পাহাড় ঠেলে টেনে নামিয়েছিলেন গোল্ডেন হর্ন-এ


আয়া সোফিয়া কি মসজিদ হচ্ছে

  • ০৩ জুলাই ২০২০ ১৩:৪২

১৯৩০ সালের পর ইসলামবিরোধী নানা আইন চালু করতে থাকে তুরস্ক। এর অংশ হিসেবে কামাল পাশা আমেরিকা থেকে আর্কিওলজিস্ট থমাস হোয়াইমোরকে নিয়ে আসেন। তিনি সুলতান ফাতিহ মোহাম্মদের চিত্রকর্মগুলো দেয়াল থেকে মিশিয়ে দিতে শুরু করলেন। ধীরে ধীরে স্পষ্ট হতে থাকলো বাইজেন্টাইনদের করা চিত্রকর্ম। এই অবস্থাতেও মুসলমানরা নামাজ পড়ছিলেন সেখানে। কিন্তু ১৯৩৩ সালের পর নামাজ পড়া একরকম অসম্ভব হয়ে পড়ে। তখন দেয়ালের ছবিগুলো স্পষ্ট হয়ে উঠেছিলো। আর ছবি সামনে নিয়ে নামাজ পড়া হারাম। এভাবেই মুসলমানদের সরিয়ে দেওয়া হয় আয়া সুফিয়া থেকে