শেখ মুজিবুর রহমান : আমার দেখা নয়া চীন

  • ১৭ মার্চ ২০২০ ২১:২০

শেখ মুজিবুর রহমান দুইবার চীনে যান। প্রথমবার যান ১৯৫২ সালে। আর দ্বিতীয়বার যান ১৯৫৭ সালে। তিনি প্রথমবার চীনে যান আওয়ামী লীগের একজন নেতা হিসেবে। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে যোগ দিতে যান তিনি চীনের কমিউনিস্ট পার্টি আহূত শান্তি সম্মেলনে। শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর লেখা ‘আমার দেখা নয়া চীন’ বইতে বলেছেন, অন্য কোন দেশ থেকে যদি শান্তি সম্মেলনের ডাক আসত, তা হলেও তিনি সাড়া দিতেন। কারণ তিনি শান্তিকামী। আর যুদ্ধবিরোধী। তিনি লিখেছেন, চীনের শান্তি সম্মেলনে তিনি কাশ্মীর সমস্যার সমাধানের দাবি উত্থাপন করেন।


আইসেজের রায় : কতটা চাপে পড়বে মিয়ানমার

  • ২৬ জানুয়ারি ২০২০ ২০:৩৭

আর্ন্তজাতিক আদালতে এই রায় রোহিঙ্গা জনগোষ্টীকে কতটা সুরক্ষা দেবে? কিংবা যারা বাংলাদেশে এসেছে তাদের ফিরে যাওয়ার পথ কী তৈরি করবে? কতটা চাপে পড়তে পারে মিয়ানমার? এসব প্রশ্ন খুবই গুরুত্বপূর্ন। আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতের এই আদেশ মানতে মিয়ানমার বাধ্য। তবে আদালত এজন্য তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে পারবে না। অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, এই রায় উপেক্ষা করা মিয়ানমারের জন্য কঠিন হয়ে উঠবে।


মিয়ানমারে চীনের প্রেসিডেন্ট : বাংলাদেশের পাশে কে?

  • ২২ জানুয়ারি ২০২০ ১২:০৭

সামরিক শাসনে দুনিয়া থেকে যখন মিয়ানমার একটি বিচ্ছিন্ন রাষ্ট্রে পরিনত হয়েছিলো তখন মিয়ানমারের পাশে দাড়িয়েছিলো বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ চীন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সব সময় মিয়ানমারের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছে চীন। দীর্ঘ এ সময়ে মিয়ানমারে ক্ষমতার পালাবদল হলেও মিত্রতার সম্পর্কে এর প্রভাব পড়েনি।


মধ্যএশিয়ায় বাড়ছে তুরস্কের প্রভাব

  • ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯ ১২:২২

গত দশকে মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠানিকীকরণের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতের জোরদার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের ভিত রচিত হয়। তুরস্কও মধ্য এশিয়ার দেশগুলোকে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে মধ্য এশিয়ার দেশগুলোকে স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার হিসেবে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। স্বল্প মেয়াদে তুরস্কের আঞ্চলিক স্ট্র্যাটেজি হবে কানেক্টিভিটি বাড়ানো এবং জ্বালানি প্রকল্পগুলো ও টার্কিক কাউন্সিলকে এগিয়ে নেয়া


দশ দেশ আর দুই সাগর পাড়ি দিয়ে চীনের ট্রেন যখন ইউরোপে

  • ১৩ নভেম্বর ২০১৯ ০১:০৩

এক অঞ্চল, এক পথ বা ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড চীন সরকারের একটি উন্নয়ন কৌশল । মুলত আন্ত:রাষ্ট্র ও আন্তমহাদেশীয় অবকাঠামো প্রকল্প। এর আরেক নাম পুরানো সিল্করোড বা রেশম পথের পুুরুজ্জীবন। চীনের মূল সিল্ক রোডের অস্তিত্ব ছিল প্রায় দুই হাজার বছর আগে। এটি ছিল বাণিজ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি পথ। এর মধ্য দিয়ে এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের মধ্যে অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক চিন্তাধারার বিনিময় হয়েছে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং ২০১৩ সালে সিল্ক রোড পুনরুজ্জীবনের এই ধারনা উপস্থাপন করেন।