মজার ব্যাপার হলো, বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নভাবে রাশিয়া ও চীনকে হুমকি দিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও যেন দেশ-দু'টিকে অনেক কাছাকাছি এনে দিয়েছেন। রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার এক দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি করেছে চীন। সাইবেরিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে যৌথভাবে কৃষি ও প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণে কাজ করতেও সম্মত হয়েছে উভয় দেশ। চীনকে একটি অ্যান্টি-মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম স্থাপনেরও প্রস্তাব দিয়েছে রাশিয়া
তুরস্কের একজন পর্যবেক্ষক তাই বলেন, খালি চোখেই দেখা যায় আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া - এ দু' দেশের মধ্যে আর্মেনিয়ার সাথেই ইরানের সম্পর্ক বেশি ঘনিষ্ঠ। এর কারণও আছে। যেমন, রাশিয়ার সাথে রয়েছে ইরানের রাজনৈতিক মৈত্রী। এ সংঘাতে রাশিয়া নিয়েছে আর্মেনিয়ার পক্ষ। অতএব এখানে আর্মেনিয়ার বিপক্ষে যাওয়াটা অনেকটা রাশিয়ার বিপক্ষে যাওয়ার মতোই হয়ে যায়। ইরান এ ঝুঁকি নিতে চায় না
লিবিয়া, সিরিয়া ও ইরাক - এ তিন আরব দেশে তুরস্কের সৈন্য এবং তুর্কী মদদপুষ্ট মিলিশিয়ারা তৎপর রয়েছে। এটা ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতা যে আরব বিশ্ব এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে তা অবশ্যই স্বীকার করতে এবং ব্যবস্থা নিতে হবে। এসব দেশ এবং তার বাইরেও তুরস্কের যে আঞ্চলিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আকঙ্খা আছে, তা দেশটির প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান ও শীর্ষ কর্মকর্তারা মোটেই লুকাচ্ছেন না
মিয়ানমারে দীর্ঘ কয়েক দশক পর্যন্ত চীনা সমর্থনে ক্ষমতায় ছিল সেনাবাহিনী। কিন্তু মিয়ানমার সেনাবাহিনী বর্তমানে বিভিন্ন বিষয়ে সরাসরি চীনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে । ফলে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ওপর চীন ক্ষুদ্ধ। অপর দিকে চীন একসময় অং সান সুচির বিরুদ্ধে থাকলেও বর্তমানে তাকেই বেছে নিয়েছে। সু চিও ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য চীনের কোলে আশ্রয় নিয়েছেন
ছোট আরব দেশ দুটি যখন ইসরাইলের সাথে দোস্তির ঘোষণা দিয়েছে তখন আরেকটি আরব দেশ ফিলিস্তিনিদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। প্রকাশ্য জানিয়ে দিয়েছে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন ছাড়া ইসরাইলের সাথে সর্ম্পক স্বাভাবিক করবে না। এই দেশটি হচ্ছে কাতার