কমব্যাট ড্রোনগুলোর চলার ধরন একেকটার একেক রকম। সবচাইতে পরিচিতটি হলো, ড্রোনের একজন চালক থাকবেন দূরে কোথাও, তা হোক স্থলে, সমুদ্রে কিংবা অন্য কোনো উড়োজাহাজের ভেতর। আর কিছু ড্রোন ওড়ে আধা-স্বাধীনভাবে এবং সেগুলোর অবস্থান আপডেট করা হয় জিপিএস বা অন্য কোনো উপগ্রহের সাহায্যে। সত্যিকার স্বাধীন ড্রোন হলো সেগুলো, যেগুলো কোনো ডেটা লিঙ্ক ছাড়াই একটি মিশন সম্পন্ন করতে পারে
প্রাথমিকভাবে মার্কিন নেভির পরিকল্পনা ছিল করোনা ধরা পড়লেও রনতরী সমুদ্রেই রাখা হবে এবং আক্রান্তদের জাহাজে রেখেই চিকিৎসা ও করোনা প্রতিরোধের ব্যবস্থা করা হবে। ২৪ মার্চ মার্কিন নেভির ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি থমাস মোডলি এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন, এটি আমাদের একটি অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা যে, কোডিভ-১৯ ধরা পড়ার পরও আমরা রণতরী সাগরে মোতায়েন রাখব
উত্তর কোরিয়ার সামরিক শক্তি সর্ম্পকে সঠিক তথ্য পাওয়া দুস্কর। উত্তর কোরিয়া বৃহৎ সামরিক শক্তির দেশগুলোর একটি হিসাবে বিবেচনা করা হয়। বিভিন্ন সময় প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে ধারনা করা হয় উত্তর কোরিয়ার সৈন্য সংখ্যা ১১ লাখ ৯০ হাজার। ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির সামরিক সক্ষমতার যে প্রতিবেদন প্রকাশ করে তাতে বলা হয় উত্তর কোরিয়ার কাছে, ৪ হাজার ২০০ ট্যাংক। ২ হাজার ২শ আর্মাড ভেহিক্যাল, ৮ হাজার ৬০০ আর্টিলারি গান। জিডিপির ২০ শতাংশ সামরিক খাতে ব্যয় করে। যার পরিমান আনুমানিক ৪০ বিলিয়ন ডলার
চীনা আর্মির একটি বড় দুর্বলতা হলো আধুনিক যুদ্ধের জন্য চীনা আর্মি যথেষ্ট দক্ষ নয়। আর বর্তমান আর্মি কমান্ডাররাও সর্বোচ্চ দক্ষ নয়। তারা এটার নাম দিয়েছে ‘টু ইনএবিলিটিস’। অপর যে দুর্বলতার কথা চীন প্রকাশ্যে স্বীকার করে সেটা হলো- পিস ডিজিস, পিস টাইম হ্যাবিটস এবং লং স্ট্যান্ডিং পিস প্রবলেমস। চীনা আর্মির সাম্প্রতিক বড় ধরনের কোনো যুদ্ধের অভিজ্ঞতা নেই। চীন সর্বশেষ বড় ধরনের যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিলো ৩৫ বছর আগে ১৯৮০ এর দশকের মাঝামাঝি । বর্তমান চীনা আর্মির যুদ্ধের কোনো অভিজ্ঞতা নেই।
করোনা ভাইরাস দুর্যোগের সুযোগে এবার ভারত মহাসাগরে হানা দিয়েছে চীন। করোনার সুযোগ কাজে লাগিয়ে এর আগে চীন তাইওয়ান প্রণালীতে বিমানবাহী রণতরী পাঠিয়েছে। এবার ভারত মহাসাগরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় জলজ ড্রোন পাঠিয়েছে চীন। এ ধরনের এক ডজন জলজ ড্রোন সনাক্ত করেছে ভারতীয় নৌবাহিনী।