ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির সবসময় বিরোধিতা করে আসছে রাশিয়া। ট্রাম্প রাশিয়ার সেই ইচ্ছা পূরণ করছেন। ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সদর দফতর পেন্টাগন ঘোষনা দিয়েছে জার্মানি থেকে ১১ হাজার ৯০০ আমেরিকান সৈন্য সরিয়ে নেয়া হবে। একইসাথে যুক্তরাষ্ট্র আর্মির ইউরোপীয় মিলিটারি হেড কোয়ার্টার্স জার্মানি থেকে বেলজিয়ামে নিয়ে যাওয়া হবে
করোনা ভাইরাসের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের খবর এখনও সারা দুনিয়ায় তেমন গুরুত্ব পাচ্ছে না। তবে মার্কিন মুলুকে কিন্তু নির্বাচনী ডামাডোল জোরেশোরেই বাজতে শুরু করেছে। নভেম্বরের...
নাম প্রকাশ না করার শর্তে চীনা কর্মকর্তারা নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেছেন, ট্রাম্প এখন চীনের বিরুদ্ধে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছেন নির্বাচনী ফায়দা পেতে। চীন পাল্টা ব্যবস্থা নিয়ে তাকে সে সুযোগ দিতে চাইছে না। চীন কঠোর ব্যবস্থা নিলে একে রাজনৈতিক প্রচারণার হাতিয়ার বানিয়ে ট্রাম্প করোনা সংকট মোকাবিলায় তার চরম ব্যর্থতা আড়াল করার সুযোপ পেয়ে যাবেন। তিনি জনগণের দৃষ্টি চীনমুখী করার চেষ্টা করবেন
দুর্ভাগ্যজনক হলো, জিনিজয়াংয়ে চীনের বর্বরতা নিয়ে মুসলিম বিশ্ব শুধু নীরবতাই পালন করে না, অনেক ক্ষেত্রেই চীনকে জোরালো সমর্থন দেয়। সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমান চীনা সংখ্যালঘু বিষয়ক নীতির প্রশংসাও করেছেন৷ অন্য আরব দেশগুলোরও অবস্থান একই রকম। ইরান চীনা নীতির সমালোচনা করে না। ইরান থেকে তেলের সবচেয়ে বড় আমদানিকারক চীন, ইরানের তেল ও গ্যাস খাতেও চীন প্রচুর বিনিয়োগ করে। ইরানের সাথে বাণিজ্য সম্পর্ক আরো প্রসারিত করছে দেশটি। চীনের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কও সুগভীর
প্রফেসর মারান্দি জানান, করোনা ভাইরাসের প্রকোপ যখন শুরু হলো, তখন আমেরিকা এমনকি চেষ্টা করেছিল যেন ইরান টেস্ট কিট যোগাড় করতে না-পারে। কিন্তু ইরান পেরেছে এবং সেটা বেসরকারিভাবে নয়, সরকারিভাবেই। তিনি বলেন, করোনাকালেও ইরান কিন্তু পুরোপুরি শাটডাউন করেনি। সবকিছু আমাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। টেস্ট কিট, ফেস মাস্ক থেকে শুরু করে যা কিছু প্রয়োজন, সবই এখন উৎপাদন করছে ইরান। আমাদের হাসপাতালগুলোতে যান, কোনোটিই করোনা রোগীতে ভরপুর - এমনটি দেখবেন না