সমরাস্ত্র শিল্পে ২০২৩ সালে বিশ্বকে তাক লাগাবে তুরস্ক

  • ১২ অক্টোবর ২০২২ ২২:১১

তুরস্কের সামরিক শক্তির ক্ষেত্রে একটা বিপ্লব ঘটতে যাচ্ছে। অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ বড় ধরণের সামরিক সরঞ্জাম প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে তুরস্ক। এগুলোর একটা বড় অংশের কাজ ২০২৩ সালেই শেষ হবে। প্রজাতন্ত্রের ১০০তম বার্ষিকীতে এই সরঞ্জাম ও প্ল্যাটফর্মগুলো সশস্ত্র বাহিনীর বহরে যুক্ত করা হবে। পঞ্চম প্রজন্মের জঙ্গি বিমান থেকে শুরু করে প্রশিক্ষণ বিমান, অ্যাটাক হেলিকপ্টার, মনুষ্যবিহীন জঙ্গি বিমান, ড্রোন, ট্যাঙ্ক, বিমানবাহী রণতরী, সাবমেরিন, উভচর যানবাহন - সবই রয়েছে এই দীর্ঘ তালিকায়। এগুলো বহরে যুক্ত হলে তুরস্কের সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বহু গুণে বেড়ে যাবে। আরেকটি বড় দিক হলো, এগুলো সবই নিজস্বভাবে তৈরি করছে তুরস্ক। ফলে, আগামীতে সারা বিশ্বে নিঃসন্দেহে তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্পের একটা বড় বাজারও গড়ে উঠবে। বিস্তারিত থাকছে হায়দার সাইফের প্রতিবেদনে।


তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে যাচ্ছে বিশ্ব !

  • ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৮:৩৮

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান যুদ্ধ নতুন মোড় নিতে যাচ্ছে। ইউক্রেনের যেসব অঞ্চল রাশিয়া-সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী ও রাশিয়ার সেনাদের নিয়ন্ত্রণে এসেছে, সেখানে গণভোট আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে মস্কো। এই গনভোটের পর এসব এলাকা আনুষ্টানিকভাবে রাশিয়ার অংশে পরিনত হবে। একই সাথে প্রেসিডেন্ট পুতিন মাতৃভূমি রক্ষায় আংশিক সেনা সমাবেশের নির্দেশ দিয়েছেন। এই নির্দেশের মাধ্যমে দেশটির রিজার্ভ ফোর্সের সদস্য ৩ লাখ রুশ নাগরিক ইউক্রেনে যুদ্ধ করার প্রস্তুতি নেবে। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর এটা হবে রাশিয়ার সবচেয়ে বড় আকারের সৈন্য সমাবেশ। কেন রাশিয়া এমন প্রস্তুতি নিচ্ছে আর এর পরিনতি বা কী হতে পারে তা নিয়ে থাকছে মুনতাসীর মুনীরের প্রতিবেদন।


চীন - রাশিয়ার সামরিক মহড়ায় ভারত কেন?

  • ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৯:২১

সম্প্রতি শেষ হয়ে গেলো বহুল আলোচিত সামরিক মহড়া ভস্তক টুয়েন্টি টুয়েন্টি টু। রাশিয়ার আয়োজনে এই মহড়ায় অংশ নিয়েছিল ভারত ও চীন। যা নানা মহলে বেশ আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। রাশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় সামরিক জেলায় গত ১ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা মহড়ায় ভারতের গুর্খা রেজিমেন্ট নিয়ে অংশ নিয়েছে। ভারত এমন এক সময়ে অংশ নিলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ভারতের রয়েছে উষ্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক । এছাড়া ভারত কোয়াড জোটেরও গুরুত্বপূর্ন সদস্য। শুধু ভস্তকেই নয়, ভারত কোয়াড জোটের অন্যান্য সদস্যরাষ্ট্র অর্থাৎ জাপান, অস্ট্রোলিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রকে নিয়ে মালাবারেও একটি নৌমহড়া করেছে। আমেরিকার সাথে এই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে পাশ কাটিয়ে কেন ভারত রাশিয়ার এই মহড়ায় অংশ নিলো, তারই বিশ্লেষণ থাকছে আজকের প্রতিবেদনে।


চীনকেও যুদ্ধে নামাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

  • ০৪ আগস্ট ২০২২ ২৩:৫১

চীনের হুমকি উপেক্ষা করে মার্কিন পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি তাইওয়ান সফর করলেন। চীন-মার্কিন সম্পর্ক এবং বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে অনেক বড় একটি পদক্ষেপ। তাইওয়ানকে নিজের ভূখন্ড হিসেবে ধরে রাখতে মরিয়া বেইজিং এই সফর ঠেকানোর চেষ্টা করেছিলো। দিয়েছিলো সামরিক পদক্ষেপের হুমকি। বড় ঝুঁকি নিয়েই মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার দ্বীপটিতে পা রেখেছেন। পেলোসির সফর ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে তাহলে কি চীনকে তাইওয়ানের সাথে যুদ্ধে নামাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। যেমনটা রাশিয়াকে নামানো হয়েছে ইউক্রেনে যুদ্ধে। ওয়াশিংটনের এমন ইচ্ছে থাকলে চীন কী করতে পারে - সেসব বিষয় নিয়ে থাকছে আহমেদ বায়েজীদের প্রতিবেদনে। 


রাশিয়ার পর চীনকে কি মোকাবিলা করতে পারবে ন্যটো?

  • ০৫ জুলাই ২০২২ ২৩:২৭

ন্যাটোর সাম্প্রতিক সম্মেলনে যে কৌশলপত্র গ্রহণ করা হয়েছে, তাতে প্রাথমিক প্রতিপক্ষ হিসেবে স্বাভাবিকভাবেই রাশিয়াকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ইউক্রেন কেন্দ্রিক চলমান সঙ্ঘাতের ঘিরে এটাই ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু কৌশলপত্রের মধ্যে সুস্পষ্টভাবে চীনকে নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে, যেখানে বেইজিংকে ন্যাটোর প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করানো হয়েছে। মূলত চীনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা চলছে, সেখানে একক শক্তিতে টিকতে না পেরে যুক্তরাষ্ট্র এখন ন্যাটোকে চীনের বিরুদ্ধে দাঁড় করাতে চাচ্ছে। কিন্তু যে সব যুক্তিতে চীনকে ন্যাটোর প্রতিপক্ষ হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হয়েছে, সেগুলো সঠিক নয়। চীনের বিরুদ্ধে পশ্চিমা শিল্পকে ধ্বংসের অভিযোগ তোলা হয়েছে, যেটা অবাস্তব। মূলত পশ্চিমারাই বিশ্বে মুক্তবাজার অর্থনীতি নিয়ে এসেছে এবং চীন সেখানে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে গেছে। বৈধ নিয়মে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে যুক্তরাষ্ট্র এখন চীনকে তাদের ভবিষ্যতের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। বিস্তারিত থাকছে হায়দার সাইফের প্রতিবেদনে।