আমেরিকায় বসন্ত নেমেছে

কার্টুনটি এঁকেছেন মাইক লুকোভিচ - দি উইক

  • শাহ মুহাম্মদ মোশাহিদ
  • ০৫ জুন ২০২০, ১১:২৭

কালো মানেই অসুন্দর, অশুভ! কালোকে তাই মুছে নিতে হবে! পৃথিবীতে দিতে হবে সাদা রঙের প্রলেপ। এই আদিম চিন্তা যতদিন থাকবে, ততদিন সাদা বনাম কালো’র লড়াই টিকে থাকবে।

সাদা লড়াই করছে কালোর বিরুদ্ধে বর্ণবিদ্বেষ নিয়ে। আর কালোদের লড়াই টিকে থাকার। এই টিকে থাকার লড়াই নিয়ে এখন উত্তপ্ত বিশ্ব।

কয়েকদিন আগে লড়াইটা শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে, যে দেশটি দেশে দেশে সভ্যতার ফেরি করে বেড়ায়। সেই যুক্তরাষ্ট্রের শেকড়ে রয়েছে ভয়ঙ্কর বর্ণবিদ্বেষ। দেশটির মিনেয়াপোলিসে এক কালো মানুষকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়েছে।

৪৬ বছর বয়সি জর্জ ফ্লুয়েড সেখানকার একটি রেস্তোরাঁয় নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। ২৫ মে সন্ধ্যায় সন্দেহভাজন একটি প্রতারণার ব্যাপারে কল পেয়ে পুলিশ তাকে আটক করে। আটকের পর এক পুলিশ কর্মকর্তা হাঁটু দিয়ে তার গলা চেপে ধরে। এক প্রত্যক্ষদর্শীর তোলা দশ মিনিটের ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় জর্জ ফ্লয়েড নিঃশ্বাস নিতে পারছেন না। কাতরাচ্ছেন। বারবার সাদা চামড়ার এক পুলিশ কর্মকর্তাকে অনুরোধ করছেন। বলছেন, ‘আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছি না।’

মিনেসোটা রাজ্যের রাজধানী মিনেপোলিসের পুলিশ বিভাগ প্রথমে ঘটনাটি ধামাচাপা দিয়ে ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু অল্প সময়ের ব্যবধানে শহরটির মেয়র ও পুলিশ প্রধান নিহত ফ্লয়েডের পক্ষে কথা বলেন। হত্যাকান্ডে জড়িত চার পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

স্মৃতিসৌধে ফ্লয়েড এর ভাতিজা ব্র্যান্ডন শান্তনা দিচ্ছেন তার কাজিন শারেদুজ ট্যাটকে- বিবিসি
স্মৃতিসৌধে ফ্লয়েড এর ভাতিজা ব্র্যান্ডন, শান্তনা দিচ্ছেন ফ্লয়েড এর কাজিন শারেদুজ ট্যাটকে- বিবিসি

 

এর পেছনের কারণ দশ মিনিটের ওই ভিডিও। খুব কম সময়ের মধ্যেই ওটা ছড়িয়ে যায় সামাজিক মাধ্যমে। ধাক্কা লাগে মানুষের বিবেকে। এতে দানা বাঁধতে থাকে ক্ষোভ। সেই ক্ষোভ রুপ নেয় উত্তাল তরঙ্গে। মানুষ নেমে আসে রাজপথে। বিক্ষোভ হয় হোয়াটহাউজের সামনেও। উত্তাল ক্ষোভের মুখে বাঙ্কারে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

দাঙ্গা পুলিশ বিক্ষোভ থামানোর চেষ্টা করে। কিন্তু জনতার ক্ষোভ নেভেনি। বরং ছড়িয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরেও। এখন দেশে দেশে চলছে বর্ণবিদ্বেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ।

করোনার মহামারির মধ্যেও পৃথিবীর বাতাসে ভাসছে কালোদের স্লোগান। বঞ্চনার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আওয়াজ। এই আওয়াজ পৌঁছে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচক দেশ চীন ও ইরানেও। দেশ দু’টির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তৈরি হয়েছে কালোদের পক্ষে সমর্থন। তারা এই আন্দোলনকে বলছেন, ‘আমেরিকা বসন্ত’।

দশ বছর আগে ২০১০ সালে তিউনেশিয়ায় শুরু হয়েছিলো আরেক বসন্ত। সেই ঢেউ ছড়িয়ে পাল্টে গিয়েছিলো মধ্যপ্রাচ্য। এর শুরুটা করেছিল মোহাম্মদ বোআজিজি নামের ২৬ বছরের এক শিক্ষিত ফেরিওয়ালার আগুনে আত্মাহুতির মধ্য দিয়ে। এবার আমেরিকায় শুরু হলো জর্জ ফ্লয়েড নামের এক কালো মানুষের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে। তার মৃত্যু দেশটিতে ডেকে এনেছে বসন্ত।

হ্যাঁ, আমেরিকায় বসন্ত এসেছে। বসন্তের ফুল ভাসিয়ে নিয়ে যাবে সাদা-কালোর বিভেদ। এমনটাই আশা করছেন বিবেকবান লোকেরা। কিন্তু সেটা কতটা সম্ভব?

আমেরিকায় বর্ণবাদের শেকড় যতটা গভীর, তা কি এক বসন্ত দিয়ে উপড়ে ফেলা যাবে!
দেশটিতে একজন কালো মানুষ মানেই পদে পদে বঞ্চনা। সাদা চামড়ার লোকেরা থাকেন অভিজাত এলাকায়। আর কালোরা গলি-ঘুঁপচিতে। কোনো কোনো এলাকায় কালোদের বাড়িতে আলাদা রঙ করে দেওয়া হয়। যুগের পর যুগ ধরে এভাবেই চলে আসছে। কালোরা সাদাদের সমীহ করে চলবে, এটাই নিয়ম। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে সাদারা কালোদের ভয়ও পায়।

অভিযোগ রয়েছে, দেশটিতে কালো লোকেরা অপরাধের সঙ্গে বেশি যুক্ত। তাই সাদারা কালোদের বাড়ির পাশে বাড়ি বানাতে চান না। একজন কালো প্রতিবেশি থাকা মানেই অনিরাপদ জীবন!

হ্যাঁ, এই অভিযোগের অনেকটাই সত্য। কিন্তু কেন তৈরি হয়েছে এই পরিস্থিতি?
কালো যুবকদের একটি বড় অংশ বেকার। ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার থেকে বঞ্চিত। পদে পদে বৈষম্যের শিকার। কালোরা কোথাও পড়তে গেলে বাঁকা চোখে তাকানো হয়। সাদা সহপাঠিরা ভালো চোখে দেখে না। রোগ হলে হাসপাতালে ঠিকমতো চিকিৎসা পায় না। অভিযোগ রয়েছে আমেরিকায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সাদাদের চাইতে কালোদের মৃত্যুর হার বেশি। একটি গবেষণা জানিয়েছে হাসপাতালগুলোতে কালো রঙের করোনায় আক্রান্ত রোগিদের চিকিৎসায় অবহেলা করা হয়।

শুধু তাই নয়, দেশটিতে অভিবাসন এবং ভোটাধিকারের ক্ষেত্রেও কালোরা বঞ্চিত। কিছু কিছু এলাকায় কালোদের জমি কেনার অধিকার নেই। এমনকি আদালতেও কালোদের দেখা হয় বৈরি চোখে। কালো আসামি মানেই ধরে নেওয়া হয় সে অপরাধি। তাকে দন্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে বিচারকের কুণ্ঠা থাকে না।

বিবিসির একটি ভিডিও থেকে নেওয়া
বিবিসির একটি ভিডিও থেকে নেওয়া

 

এই যদি হয় একটি দেশের সামাজিক চিত্র, তাহলে সেই দেশে কালো যুবকেরা তো পথহারা হবেই। পথ যাদের জন্য খোলা থাকে না, তাদের সামনে হাতছানি দেয় অন্ধকারের পথ। কালোদের অনেকেই সেই পথ বেছে নেয়। কেউ কেউ প্রতিবাদ করে। বঞ্চিত হয়ে ধৈর্য্যরে বাঁধ খুলে যায় তাদের। গুলি খায়। জীবন দেয়। তাতে নাক উঁচু সাদাদের কিছু যায় আসে না।

আর হ্যাঁ, সাদা চামড়া মানেই নাক উঁচু নয়। আমেরিকার বসন্তে যারা রাজপথে নেমে এসেছেন তাদের একটা বড় অংশই সাদা চামড়ার। তবে যে দেশে ভাঁজে ভাঁজে লুকিয়ে আছে বিদ্বেষ, সেই দেশে চাইলেও খুব সহযে সেটাকে এড়ানো যায় না।

যদি যেতো, তাহলে এতোদিনে ‘সভ্য’ হয়ে উঠতো যুক্তরাষ্ট্র। যুগের পর যুগ ধরে সাদা আর কালোর মাঝে বিভেদ থাকতো না। সাদা ও কালো সমাজের মধ্যে তৈরি হতো যোগাযোগের বন্ধন। এমনটা হলে ১৯৬৮ সালে কালো বিদ্বেষের কারণে মার্টিন লুথারেরও মৃত্যু হতো না। কালোদের অধিকারের জন্য কাজ করতেন তিনি। তিনি ছিলেন আমেরিকান সিভিল রাইট মুভমেন্টের নেতা। তার জন্ম ১৯২৯ সালে। দুনিয়াজুড়ে তিনি পরিচিত কালোদের অধিকারের লড়াই করে। আর জনপ্রিয় একটি ভাষণের জন্য- ‘আই হ্যাভ অ্যা ড্রিম’।

১৯৫০ সালে তিনি গণপরিবহনে কালো যাত্রীদের ওঠার ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করতে আন্দোলন করেন। পরে কালোদের সমান অধিকার ও ভোটাধিকারের দাবিতে দশ বছরের মধ্যে তিনি দু’টি সফল বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন।

মার্টিন লুথারের আন্দোলন ছিলো অহিংস। পুলিশি হামলার মুখেও তিনি শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যেতেন। ১৯৬৩ সালের আগস্টে তিনি সমতার দাবিতে আড়াই লাখ কালো সাদা লোক নিয়ে ‘মার্চ অন ওয়াশিংটন’-এ অংশ নেন। শান্তিপূর্ণ সেই সমাবেশে পুলিশ কাউকে গ্রেফতারের সুযোগ পায়নি। তার নেতৃত্বে ১৯৬৪ সালে নাগরিক অধিকার আন্দোলন তীব্র হয়। এতে প্রেসিডেন্ট লিন্ডন জনসন সিভিল রাইটস অ্যাক্ট-এ স্বাক্ষর করেন।

নাগরিক অধিকারের এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য মার্টিন লুথার কিংকে দেওয়া হয় শান্তিতে নোবেল পুরস্কার। তবে এতো যশ-খ্যাতিও তাকে রক্ষা করতে পারেনি বর্ণবিদ্বেষীদের কবল থেকে।

লুথারের মতো রাজারা যা বিশ্বাস করেন, সেটার জন্যই লড়াই করার ঝুঁকি নিতে পারেন
লুথারের মতো রাজারা যা বিশ্বাস করেন, সেটার জন্যই লড়াই করার ঝুঁকি নিতে পারেন

 

১৯৬৮ সালের ৪ এপ্রিল। মেমফিসে তখন চলছিলো সিটি স্যানিটেশন কর্মীদের ধর্মঘট। এই আন্দোলনকে সমর্থন দিতে তিনি সেখানে যান। একটি মোটেলে উঠেন। দিনের আলো গড়িয়ে বিকেল নামে। তারপর সন্ধ্যা। ঘড়ির কাটায় ছয়টা এক মিনিট। লুথার তখন মোটেলের ৩০৬ নাম্বার কামরার বারান্দায়। তিনি দেখছিলেন একটি সন্ধ্যার মুগ্ধতা।

কিন্তু একটি গুলি, উড়ে এসে তার সকল মুগ্ধতাকে নিয়ে পালিয়ে যায়। গুলিটি ছুঁড়েছিলেন সাদা চামড়ার যুবক জেমস আর্ল। তাই এই গুলি লুথারের ডান গাল ফুঁড়ে স্পাইনাল কর্ড হয়ে ঘাড়ের শিরা ছিড়ে দেয়। তিনি জ্ঞান হারিয়ে বারান্দায় পড়ে যান। ওই রাতেই তাকে নেওয়া হয় সেন্ট জোসেফ হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এরপর আমেরিকাজুড়ে ছড়িয়ে যায় গণবিক্ষোভ। মার্টিন লুথারের মৃত্যুর পর ক্ষোভ যেভাবে দানা বেঁধেছিলো। আমেরিকার এই বসন্তও এসেছে অনেকটা সেভাবেই। রাজপথে মানুষের ঢল নিয়ন্ত্রণে কোথাও কোথাও তেড়ে গেছে পুলিশ। আবার কোথাও হাঁটু গেঁড়ে বসে জনতার সঙ্গে যোগ দিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরিস্থিতি এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে কিছু সময়ের জন্য বাঙ্কারে লুকিয়ে থাকলেও বিক্ষোভ দমনে একের পর এক গোয়ার্তুমি করেই যাচ্ছেন।

ট্রাম্পের এই আচরণ ও বিক্ষোভ নিয়ে এখন সরব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। চীনের পত্রিকা গেøাবাল টাইমস কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিয়ে বলেছে, হংকংয়ে বিক্ষোভ সামলাতে পুলিশের ভ’মিকা নিয়ে আমেরিকার ঘুম নেই। কিন্তু তাদের নিজের দেশের পুলিশের খবর নেই। আমেরিকার পুলিশ মানুষের ওপর নির্যাতন করছে।

বেইজিংয়ে চীনা পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘কালোদের জীবনও জীবন। তাদের মানবাধিকারের নিশ্চয়তা দিতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে বর্ণবাদ যুক্তরাষ্ট্রের সমাজে একটি চলমান অসুখ।’

বিষয়টি নিয়ে খুঁটা দিতে ছাড়ছে না ইরানও। জেনারেল সোলাইমানি হত্যার পর অনেকটা বেকায়দার পড়ে গিয়েছিলো দেশটি। এর আগে ইরানে চলছিলো বিক্ষোভ। এতে প্রকাশ্যেই ছিলো মার্কিন মদদ। এই বিক্ষোভের মধ্যেই ঘটে সোলাইমানি হত্যা। এরপর বিশ্বজুড়ে নেমে আসে করোনা সঙ্কট। এই সঙ্কট মোকাবেলা করতে একযুগে নামে বিশ্ব। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মুখ বন্ধ রাখেননি। তিনি একের পর এক আন্তর্জাতিক রাজনীতি নিয়ে বিষোদগার করেই যাচ্ছিলেন। ছাড় দিচ্ছিলেন না ইরানকেও।

আমেরিকার এই বসন্তে এবার যুতসই অবস্থানে থেকে মুখ খুলেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্বাস মুসাভি বলেছেন, ‘আমেরিকার সরকার ও পুলিশকে বলছি, নিজেদের জনগণের ওপর জুলুম নিপীড়ন বন্ধ করুন, তাদের শ্বাস নিতে দিন।’

কেবল চীন ও ইরান নয়। আমেরিকার বসন্ত এখন ছড়াচ্ছে করোনা ভাইরাসের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে। কালো রঙের মানুষ ফ্লয়েডের এই মৃত্যু একন বিশ্ববাসীকে দাঁড় করিয়েছে কালোদের বিরুদ্ধে বৈষম্যের নানা হিসাব-নিকাশের মুখোমুখি।

ওয়াশিংটন পোস্ট-এর পরিবেশিত তথ্য অনুযায়ী ২০১৯ সালে আমেরিকায় পুলিশের গুলিতে মারা গেছে ১০১৪ জন। আর এদের মধ্যে কালোদের সংখ্যাই বেশি। ম্যাপিং পুলিশ ভায়োলেন্স নামে একটি বেসরকারি সংস্থা দাবি করছে দেশটিতে পুলিশের গুলিতে সাদাদের চাইতে তিনগুণ বেশি মৃত্যু হয় কালোদের। যুক্তরাষ্ট্রে কালোদের হার ১৩ শতাংশ। অথচ কারাগারে বন্দিদের ৪০ শতাংশই কালো। একটি জরিপে দেখা গেছে ২০ থেকে ৩৪ বছর বয়সি নয়জন কালোর একজন এখন কারাগারে। আর প্রতি তিনজন কালোর মধ্যে একজনকে জীবনে একবার হলেও কারাগারে যেতে হয়। অথচ একই অপরাধে ছাড়া পেয়ে যায় সাদারা।

এই হলো ‘সভ্য’ দেশ যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থা। প্রেসিডেন্ট ক্লিনটন-এর সময়কার শ্রমমন্ত্রী রবার্ট রাইস এই অবস্থার বর্ণনা দিয়ে লিখেছেন, ‘এ দেশে দাসপ্রথার বিলুপ্তি হয়েছে। তবে নতুন মোড়কে দাসপ্রথা চালু হয়েছে।’ কালো প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, ‘বর্ণবৈষম্য আমাদের সমাজের গভীরে। এটি জড়িয়ে আছে আমাদের ইতিহাসের সঙ্গে। সমাজের এই আদি প্রবাহ ইতিহাসের জঘন্যতম অধ্যায়।’

প্রতিবেদনটির ভিডিও দেখুন

বিডিভিউজ-এ প্রকাশিত লেখার স্বত্ব সংরক্ষিত। তবে শিক্ষা এবং গবেষণার কাজে সূত্র উল্লেখ করে ব্যবহার করা যাবে