একদিকে মার্কিন তর্জনগর্জন, অন্যদিকে কথিত সাম্যবাদী চীনের সামরিক শিল্পের অব্যাহত অগ্রগতি - সব মিলিয়ে একটি আসন্ন মহাযুদ্ধের ইঙ্গিত বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক
দ্রুত ইসরাইলে সমরাস্ত্র পৌঁছে দেয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ব্যবহার করে সি-৫ গ্যালাক্সি পরিবহন বিমান। যুদ্ধ চলাকালে বিমানে করে যুক্তরাষ্ট্রের এসব তড়িত অস্ত্র পাঠানোর কারণে শেষ পর্যন্ত এ যুদ্ধে জয়ী হয় ইসরাইল। শোচনীয় অবস্থায় পড়ে আরবরা। আর ইসরাইলের এ জয়ের পেছনে ভূমিকা পালন করে সি-৫ গ্যালাক্সি বিমান
যে কোনো দেশের সামরিক শক্তি নির্ভর করে দেশটির সামরিক বাজেটের ওপর। চীনের সামরিক বাজেট ভারতের তিনগুন। এখন যুদ্ধে বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনীর ভূমিকা অনেক বেড়েছে। আমরা এখন দেখবো চীন ও ভারতের বিমানবাহিনী, স্থলবাহিনী ও নৌবিাহিনীর একটি তুলনামুলক চিত্র
লিবিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে তুরস্ক সমর্থিত বাহিনীর একের পর এক বিজয় দেশটির লৌহমানব খলিফা হাফতারের জন্য বিপর্যয় ডেকে এনেছে। এই বিজয়ের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় ছায়াযুদ্ধে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য মরিয়া বিদেশি শক্তিগুলোর মধ্যে নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তুরস্ক
হোয়াইট হাউজ প্রকাশ করেছে ব্যাপকভিত্তিক একটি পলিসি পেপার। ট্রাম্প প্রশাসন ২১ মে তাদের প্রথম পলিসি পেপার উপস্থাপন করেছে। এতে চীন বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপকভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গির রুপরেখা প্রকাশ করা হয়েছে। চীকনে মোকাবেলায় আন্তর্জাতিকভাবে সমন্বিত প্রতিরক্ষা কৌশল গ্রহনের আহবান জানানো হয়েছে এ পলিসি পেপারে। পলিসি পেপারে বলা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের কমন মূল্যবোধ সিস্টেম চীনের কারনে হুমকির মুখে পড়েছে