কেমন হবে বাইডেনের এশিয়ানীতি

ট্রাম্পের নীতি ঘুরিয়ে দিতে পারেন বাইডেন - ইন্টারনেট

  • আহমেদ বায়েজীদ
  • ০৫ নভেম্বর ২০২০, ১৫:৩৬

২০১৬ সালে হোয়াইট হাউসে গিয়েই যুক্তরাষ্ট্রের এশিয়া নীতি আমূল পাল্টে দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাকিস্তানকে দূরে ঠেলে কাছে টেনেছেন ভারতকে। আবার চীনের সাথে শুরু করেছেন বাণিজ্য যুদ্ধ। এবারের নির্বাচনে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী জো বাইডেন। ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতির সমালোচক বাইডেন হোয়াইট হাউজে গেলে কেমন হতে পারে তার এশিয়ানীতি?

ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট প্রেসিডেন্ট নির্বাচত হয়েই কিছু পদক্ষেপ নেন যেগুলো মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিকে প্রায় ১৮০ ডিগ্রি ঘুরিয়ে দেয়। বারাক ওবামার সময়ে বহুকাঠখড় পুড়িয়ে ইরানের সাথে করা পরমানু চুক্তি থেকে বের হয়ে যায় ট্রাম্পের আমেরিকা। আবার উত্তর কোরিয়ার সাথে একই ধরণের পদক্ষেপ নিতে উদ্যোগী হন ট্রাম্প নিজেই। একাধিক বার সংলাপও হয় কিম জং উনের সাথে। চীনের সাথে বাণিজ্য যুদ্ধের শুরুশুল্ক আরোপ নিয়ে। এরপর প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে কান্ডের পর দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে বিরোধ ও তাইওয়ানের সাথে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়ে চীনের সাথে বেশ কয়েকটি ফ্রন্টেই বিবাদে জড়ায় যুক্তরাষ্ট্র। আবার জাপান, দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে সামরিক সহযোগিতা কমিয়ে দেয়ার উদ্যোগেও এসব দেশ নাখোশ ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর।

বাইডেনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও তার নির্বাচনী অঙ্গিকারগুলো বিবেচনায় নিলে বলতে হবে তিনি এসবের অনেক কিছুই পাল্টে দিতে পারেন। তার মতো অভিজ্ঞ রাজনীতিক হয়তো চাইবেন সব পক্ষের সাথে ভারসাম্যের নীতি গ্রহণ করতে।যদিও সেটি সহজ হবে না বলেই মনে হচ্ছে।

ঝানু রাজনীতিক জো বাইডেনের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র নীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নতুন কোন বিষয় নয়। ২০০৯ সাল থেকে বারাক ওবামার প্রেসিডেন্সির দুই মেয়াদে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম ভাইস প্রেসিডেন্ট। এর আগে ১৯৭৩ সাল থেকে টানা সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন দেলাওয়ার অঙ্গরাষ্ট্র থেকে। দীর্ঘ এই রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তার রয়েছে পররাষ্ট্র বিষয়ে কাজ করার অনেক অভিজ্ঞতা। টানা তিন দশক কাজ করেছেন সিনেটের ফরেন রিলেশন্স কমিটিতে।

ওবামা প্রশাসনে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ করার সময় বাইডেনের পরিচিত ছিলেন ভারতের বন্ধু হিসেবে। সিনেটের ফরেন রিলেশন্স কমিটিতে থাকার সময় তিনি ভারতকে বিভিন্ন বিষয়ে অগ্রাধিকার দিতেন বলেও জনা যায়। বাইডেন মনে করতেন, বিশাল জনসংখ্যা ও বিশাল আয়তনের একটি দেশের গুরুত্ব অনেক। এমন একটি দেশকে দূরে রাখা ঠিক নয়।

আবার দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর বিষয়েও তিনি ভারসাম্যের নীতিতেই চলেছেন। বারাক ওবামা প্রশাসনের আফগানিস্তান নীতিতে প্রধান ভূমিকা ছিলো বাইডেনের। দেশটিতে যুদ্ধ অবসানের তার কিছু পরিকল্পনাও ছিলো। ২০১৫ সালে পাকিস্তান সফরের সময় ইসলামাবাদ তাকে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা হিলাল-ই পাকিস্তানে ভূষিত করে। পাকিস্তানের গণতন্ত্র ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদানের জন্য এই সম্মাননা দেয় নওয়াজ শরিফের সরকার।

ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউজে প্রবেশ করার পর এর অনেক কিছুই পাল্টে যায়। পাকিস্তানকে দূরে ঠেলে ভারতকে আরো কাছে টেনে নেয় ট্রাম্প প্রশাসন। পাকিস্তানকে ন্যাটো জোটের বাইরের গুরুত্বপূর্ণ মিত্রের তালিকা থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। যার ফলে চীনের সাথে ঘনিষ্ঠতা বাড়ায় পাকিস্তান।ইরানের সাথে করা ঐতিহাসিক পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেন ট্রাম্প। আবার ছোট্ট দেশ নেপালও এখন ভারতকে রেখে ঝুঁকেছে চীনের দিকে। পরোক্ষভাবে তাই যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে নেপালের মতো ছোট দেশ মুখ ফিরিয়ে নেয়। মোট কথা দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে গত চার বছরে এমন কিছু ইস্যু সামনে চলে আসে যেগুলো ওবামা-বাইডেন যুগে ছিল না।

প্রচারণার শুরু থেকেই নির্বাচিত হলে ট্রাম্পের প্রশাসনের অনেক সিন্ধান্তকে পাল্টে ফেলার কথা জানিয়েছেন বাইডেন। শুধু তাই নয়, অঙ্গীকার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রকে আবারো বিশ্বরাজনীতির নেতৃত্বের ভ‚মিকায় ফিরিয়ে আনার কথা। তবে অন্যসব অঞ্চলের কথা বাদ দিলেও দক্ষিণ এশিয়ায় সেটি সহজ হবে না। কারণ এখানে আছে গুরুত্বপূর্ণ এক খেলোয়াড় চীন। বেইজিং ইতোমধ্যেই দক্ষিণ এশিয়ায় তার প্রভাব জোরদার করেছে। ইরান থেকে নেপাল- এই অঞ্চলের প্রতিটি ইস্যুও সাথে এখন জড়িয়ে আছে চীন।

ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের কথা উঠলে বলতে হবে বাইডেন সব সময়ই ভারতের সাথে ঘনিষ্ঠতা চাইতেন। বুশ প্রশাসনের সময় ইউএস-ইন্ডিয়া সিভিল নিউক্লিয়ার ডিলের সময় ভারতের পক্ষেই কথা বলেছেন তিনি। আবার বাইডেন তার রানিং মেট হিসেবে বেছে নিয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভ‚ত কমলা হ্যারিসকে।এটিও ভারতের জন্য একটি আশার দিক।

তবে নির্বাচনী প্রচারণা বিষয়ক তার ওয়েবসাইটে পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে যে নথিপত্র প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে বাইডেন ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন কাশ্মিরের জনগনের অধিকার ফিরিয়ে দেয়ার। হতাশা প্রকাশ করেছেন নাগরিকত্ব আইন নিয়েও। যে আইনে মুসলিম ছাড়া অন্য প্রায় সব ধর্মাবলম্বী অবৈধ অভিবাসীদেরই ভারতের নাগরিকত্বের সুযোগ দেয়া হয়ছে। বাইডেন মনে করেন ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ ও বহুজাতিক গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যের সাথে বেমানান এসব আইন। তবে বাইডেন অবশ্য ভারতীয় আইটি এক্সপার্টদের ভিসার ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘোষণাও দিয়েছেন।

বাইডেনের এসব নীতি থেকে ভারসাম্যের দিক সম্পর্কে কিছুটা আভাস পাওয়া যায়। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময় ভারত যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যে দহরম মহরমের সুযোগ পেয়েছে সেটি হয়তো অনেকটাই কমে যাবে জো বাইডেন হোয়াইট হাউজে গেলে। আবার রানিং মেট কমলা হ্যারিসও তার ভারতীয় শেকড় নিয়ে খুব একটা আলোচনা করছেন না, তারচেয়ে বরং কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার নিয়েই তার মাথাব্যথা বেশি। নেপালকে কাছে টানার জন্যও কিছু ইস্যুতে নয়া দিল্লির ইচ্ছের বাইরে সিদ্ধান্ত নিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। অর্থাৎ ট্রাম্প যুগের মতো ওয়াশিংটনকে এতটা ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পাবে না নয়া দিল্লি।

বাইডেন পাকিস্তানকেও দূরে ঠেলবেন না বলে মনে বিশ্লেষকরা। ২০১১ সালে পাকিস্তান সফরের সময় তিনি পাকিস্তানকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে, ভারতকে সমর্থন দিয়ে পাকিস্তানকে কোনঠাসা করার কোন পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের নেই।

পাকিস্তানের সীমান্তের অভ্যন্তরে যুক্তরাষ্ট্র কিছু সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চালালেও এগুলো শুধু সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতেই সীমাবন্ধ থাকবে। যুক্তরাষ্ট্র কখনোই পাকিস্তানকে পরিত্যাগ করবে না বলেও আশ্বস্ত করেন বাইডেন। ওই সময় বেসামরিক খাতে পাকিস্তান ৭০ কোটি মার্কিন ডলার সহায়তাও পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে।

শেষ দিকে এসে ওবামা প্রশাসনের সাথে ইসলামাবাদের সম্পর্ক কিছুটা শীতল হয়। তবে ট্রাম্প প্রশাসন আসার পর ইসলামাবাদের সাথে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক ভালো-মন্দু দুটি দিকেই গড়িয়েছে। ট্রাম্পের বর্তমান মেয়াদের শেষ দিকে এসে সম্পর্ক উন্নয়নের আভাস পাওয়া গেলেও শুরুর দিকে ট্রাম্প পাকিস্তানের ওপর বেশ কঠোরই ছিলেন। ন্যাটো জোটের বাইরে ঘনিষ্ঠমিত্রের তালিকা থেকে বাদ দেয়া ছাড়াও পাকিস্তানে নিরাপত্তা সহযোগিতাও বন্ধ করে হোয়াইট হাউজ।ওয়াশিংটনে নিযুক্ত পাকিস্তানি কূটনীতিকদের চলাচলেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এছাড়া সামরিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও স্থগিত করে ট্রাম্প প্রশাসন।

সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান অনেক বেশি ঘনিষ্ঠ হয়েছে চীনের সাথে। চীন প্রচুর বিনিয়োগ করছে পাকিস্তানে। গড়ে তুলেছে চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর, যার অর্থায়ন পুরোটাই চীনের। যুক্তরাষ্ট্রের দূরে ঠেলে দেয়ার নীতির কারণে পাকিস্তান যে চীনের দিকে ঝুঁকেছে সেটি বুঝতে বিশেষজ্ঞ হওয়ার দরকার নেই। তাই যুক্তরাষ্ট্রের ভারত-পাকিস্তান নীতির সাথে এখন ওতোপ্রোতোভাবেই জড়িয়ে গেছে চীন। নির্বাচিত হলে চীনের সাথে বাইডেনের সম্পর্ক কেমন হবে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ এই ইস্যুতে।

ট্রাম্পের চেয়ে বাইডেন চীনের প্রতি কিছুটা ইতিবাচক মানসিকতা পোষণ করেন। চীনা প্রিমিয়ার শি জিনপিংয়ের সাথে তার আন্তরিকতার প্রমাণও পাওয়া গেছে ২০১৯ সালের শুরুর দিকে। বাইডেন চীনের সাথে বাণিজ্যিক টানাপোড়েনকে প্রতিযোগীতা হিসেবেই দেখতে নারাজ। তার চেয়ে বরং বাইডেন চান প্রযুক্তি পণ্য উৎপাদনে তার দেশকে আরো অগ্রসর করে বাণিজ্যিকভাবে চীনকে টেক্কা দিতে। অবশ্য হুট করেই বাইডেন এসে যে চীনের সাথে সব বিরোধ মিটিয়ে ফেলবেন সেটি আশা করা ভুল, তবে ট্রাম্প যুগের মতো এতটা যুদ্ধংদেহীও হয়তো থাকবে না।

কাঠমান্ডুভিত্তিক থিংক ট্যাঙ্ক এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোম্যাসি এন্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের রিসার্চ ট্রেইনি দিব্যাংশু জিন্দাল মনে করেন, বাইডেন বিভিন্ন সময়ে ট্রাম্পের চীননীতির সমালোচনা করলেও তার জন্যও চীনের ব্যাপারে দ্রুতই ইতিবাচক কোনো নীতি গ্রহণ করা সহজ হবে না। আবার হুট করেই চীনের বলয় থেকে বের করে পাকিস্তানকে কাছে টানাও সহজ হবে না। তাই বাইডেন হয়তো এসব বিষয়ে ধীরে চলো নীতিতে অগ্রসর হবেন।

ইরান ইস্যুতেও ট্রাম্পে নীতির কঠোর সমালোচনা করেছেন বাইডেন। ইরান চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বের হয়ে যাওয়াকে বিপর্যয় হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তিনি। বাইডেন সোজাসাপ্টাই বলেছেন, চুক্তি থেকে সরে আসার কারণেই হয়তো ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে নিবৃত করা যায়নি। ইরান সম্মত হলে তিনি আবার যুক্তরাষ্ট্রকে এই চুক্তিতে ফিরিয়ে আনার স্বপ্ন দেখেন। আর তেমনটি হলে বলতে হবে, ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি পুরোপুরি উল্টে যাবে বাইডেন প্রেসিডেন্ট হলে।

বাইডেনের ইরান নীতিতে অবশ্য সুবিধা পাবে ভারত। কারণ ভারত বেশ কিছু বাণিজ্যিক ইস্যুতে ইরানের সাথে জড়াতে চাইছে। ট্রাম্পের আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কারণেই ভারত ইরান থেকে তেল আমদানি করতে পারছে না। নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে ভারতের জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বড় উৎস হয়ে উঠতে পারে ইরান।

ট্রাম্প ইরানের ওপর কঠোর হওয়ার কারণেই চীন ও রাশিয়ার সাথে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছেইরান। মধ্যপ্রাচ্যে বেড়েছে রাশিয়ার প্রভাব। ইরানকে ঠেকাতে গিয়েই ট্রাম্প চীন ও রাশিয়াকেও সুযোগ দিয়েছেন এই অঞ্চলে নাক গলানোর। তাই বাইডেন হয়তো এশিয়া নীতিতে এক সাথে অনেকগুলো কার্ড খেলতে চাইবেন। সেটি হতে পারে ইরান ও পাকিস্তানকে চীনের দিক থেকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা, আবার ভারতকেও ইরানের সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধির সুযোগ করে দেয়া এবং নেপালসহ অন্য ছোট দেশগুলোর বিষয়েও যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা।

কয়েক দশক ধরেই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সাথে বাইডেনের যে সম্পর্ক সেটিকে কাজে লাগিয়ে তিনি চাইতে পারেন এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বৃদ্ধি করতে। পাকিস্তান- ভারত কিংবা নেপাল- ভারত বিরোধ এই অঞ্চলে যে নেতৃত্বের শূণ্যতার সৃষ্টি করেছে। কয়েক দশকের অভিজ্ঞ রাজনীতিক বাইডেন সেটিকে কাজে লাগাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলে ধারনা করা যায়। এর ফরে পাকিস্তান আবার সম্পর্ক জোরদার করবে ওয়াশিংটনের সাথে। ইরান পেতে পারে নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি। এমন আরো অনেক নতুন রাজনৈতিক ঘটনা প্রবাহ দেখা যেতে পারে এশিয়ার রাজনীতিতে।

বিডিভিউজ-এ প্রকাশিত লেখার স্বত্ব সংরক্ষিত। তবে শিক্ষা এবং গবেষণার কাজে সূত্র উল্লেখ করে ব্যবহার করা যাবে