বর্তমান সংকট ইতিহাসের গতি পরিবর্তন হিসেবে কাজ করতে পারে। এতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ উভয়ের প্রভাবই কমে যেতে পারে। ২০২১ সালের কোনো এক সময় করোনা সংকট থেকে বিশ্ব বেরিয়ে আসতে পারবে। এরপর আসবে ২০৩০ সাল। তখন বিশ্বে দেখা যাবে এশিয়ার আধিপত্য আর পাশ্চাত্যের ক্ষয়
ভারতের চিকিৎসকরা করোনা রোগ নিয়ে খুব একটা হইচই করছেন না। কিন্তু ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বললেন, ছাত্রদের তিনি অটোপাশ দেবেন। বাংলাদেশ যা এ পর্যন্ত বলেনি। বাংলাদেশের মানুষ ভারতের তুলনায় অনেক বেশি বিজ্ঞানমনষ্কতার পরিচয় দিচ্ছেন। রোগ একটা চিকিৎসা বিজ্ঞানের সমস্যা।
করোনার কারণে নিশ্চিতভাবেই ধানের উৎপাদন কমবে। আর এর ফলে ঘটবে অন্নাভাব। করোনার কারণে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছে। হারাচ্ছে তাদের সাধারণ কর্মশক্তি। পত্র-পত্রিকায় করোনার প্রভাবে কত ট্রিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হতে যাচ্ছে তার সম্ভাব্যতার কথা বলা হচ্ছে। সেটা একটা বিরাট অংক। চীনের করোনা ভাইরাস সমস্যা দীর্ঘমেয়াদী হলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ভয়ানক বিপর্যয় বাড়বে।
শেখ মুজিবুর রহমান দুইবার চীনে যান। প্রথমবার যান ১৯৫২ সালে। আর দ্বিতীয়বার যান ১৯৫৭ সালে। তিনি প্রথমবার চীনে যান আওয়ামী লীগের একজন নেতা হিসেবে। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে যোগ দিতে যান তিনি চীনের কমিউনিস্ট পার্টি আহূত শান্তি সম্মেলনে। শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর লেখা ‘আমার দেখা নয়া চীন’ বইতে বলেছেন, অন্য কোন দেশ থেকে যদি শান্তি সম্মেলনের ডাক আসত, তা হলেও তিনি সাড়া দিতেন। কারণ তিনি শান্তিকামী। আর যুদ্ধবিরোধী। তিনি লিখেছেন, চীনের শান্তি সম্মেলনে তিনি কাশ্মীর সমস্যার সমাধানের দাবি উত্থাপন করেন।
আর্ন্তজাতিক আদালতে এই রায় রোহিঙ্গা জনগোষ্টীকে কতটা সুরক্ষা দেবে? কিংবা যারা বাংলাদেশে এসেছে তাদের ফিরে যাওয়ার পথ কী তৈরি করবে? কতটা চাপে পড়তে পারে মিয়ানমার? এসব প্রশ্ন খুবই গুরুত্বপূর্ন। আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতের এই আদেশ মানতে মিয়ানমার বাধ্য। তবে আদালত এজন্য তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে পারবে না। অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, এই রায় উপেক্ষা করা মিয়ানমারের জন্য কঠিন হয়ে উঠবে।